গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। শহরের চেয়ে গ্রামে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বেশি। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোথাও ৭ ঘণ্টা, কোথাও ১০ ঘণ্টারও বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। দেশে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে সামনের দিনগুলোতে লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিবিসি বাংলা বলছে, ঢাকার বাইরে কয়েকটি জেলায় গত তিন-চার দিন ধরে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। দিন ও রাতের বড় একটা সময় বিদ্যুৎ থাকছে না।
মেহেরপুরের আমঝুপি এলাকার একজন ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান লিটন নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চার থেকে পাঁচবার বিদ্যুৎ যায়। দিন-রাতে অর্ধেকের বেশি সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। একদিকে গরম যেমন বাড়ছে, সেই সঙ্গে লোডশেডিংও। যেদিন কম সেদিনও সাত ঘণ্টা, কোনো দিন আবার ১০ ঘণ্টারও বেশি হয় লোডশেডিং।’
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন লোডশেডিং হচ্ছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে, লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ৩০ থেকে ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এপ্রিল থেকে জুন—এই তিন মাস দেশে গরম বাড়ে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়ে। তবে এবার জ্বালানি সংকটসহ নানা কারণে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে।
দেশে জ্বালানির সংকটের কারণে এবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ে অফিসের সময় কমানো, শপিং মল দ্রুত বন্ধ করাসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কিন্তু এর সব কাজে আসছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।







