বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬
spot_img
Homeজাতীয়চরম বিদ্যুৎ সংকটে জনগণকে স্বস্তি দিতে পারে একমাত্র শেখ হাসিনার তৈরি রুপপুর...

চরম বিদ্যুৎ সংকটে জনগণকে স্বস্তি দিতে পারে একমাত্র শেখ হাসিনার তৈরি রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ

চরম জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে দেশবাসী ও বর্তমান বিএনপি সরকার তাকিয়ে আছে শেখ হাসিনার অন্যতম সেরা অবদান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রর দিকে। বর্তমানে ইউনুস সরকারের বন্ধ করে যাওয়া আর বিএনপি সরকারের সময়ে জ্বালানী সংকটে বন্ধ হওয়া সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে বিদ্যুতকেন্দ্রের সংখ্যা ৩৩টি।

আগস্ট ২০২৪ এর পরে বন্ধ হয়ে যাওয়া সহস্রাধিক গার্মেন্টোস, মিল, ফ্যাক্টরি ও শিল্প কারখানা সত্ত্বেও, ডিপিডিসি’র ওয়েবসাইটে প্রতি ঘন্টার বিদ্যুৎ উৎপাদনের হিসাবে অনুযায়ি বাংলাদেশে দৈনিক লোডশেডিং এর পরিমান ২৫০০ মেগাওয়াট। যদিও এই মুহুর্তে ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎ এর পরিমান এযাবতকালের সর্বোচ্চ, দৈনিক ২৫৮০ মেগাওয়াটে উন্নিত হয়েছে।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বিএইআরএ) থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কমিশনিং লাইসেন্স পেয়েছে। প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, এর ফলে প্রথম ইউনিটে যেকোনো সময় উৎপাদন শুরু হতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, এপ্রিলের শেষ নাগাদ প্রথম ইউনিটে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং শুরু হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বর থেকে ধাপে ধাপে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ চলছে। পুরো প্রকল্প ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পুরোপুরি চালু হলে দুটি ইউনিট থেকে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

 

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ২০১৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ। এর দুই বছর পর ২০১৫ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণ রাশিয়ার অর্থায়নে ও প্রযুক্তিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে।যেখানে বিএনপি সরকার বর্তমানে রাশিয়া থেকে ক্রুড ওয়েল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চাইছে, সেখানে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকার কারো অনুমতির তোয়াক্কা না করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধু রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করে এই বৃহৎ পারমাণবিক প্রকল্পের সিদ্ধান্ত নেন এবং তা সফলভাবে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যান।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের এ ধরনের সাহসী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তসমূহ আগামী দিনের বাংলাদেশকে এনার্জি নিরাপত্তা, দক্ষতা ও শিল্পায়নে অনেক দূর এগিয়ে নেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রূপপুর প্রকল্পটি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্প নয়, বরং বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে এই প্রকল্প থেকে আসা বিদ্যুৎ দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে নতুন আশার সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

স্বপ্নের পদ্মা সেতু এন্ড মেট্রোরেল

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বাধিক জনপ্রিয়

মন্তব্য

UA-270723695-1